কালোজিরার উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন
কালোজিরার উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন
কালোজিরা মানে নাকি কালো হিরা। কালোজিরা কে বলা হয় মৃত্যু ছাড়া সব রোগের মহৌষধ। আবার অনেকে একে বলে ব্ল্যাক ডায়মন্ড বা কালো হীরা।
প্রাচীনকাল থেকে ডাক্তার-বদ্যিরা নানা অসুখ-বিসুখে কালোজিরা কে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত সব অঙ্গের রোগ নিরাময়ের জরি নিয়ে কালোজিরা। সর্দি-কাশি আমাশয় ফুসফুসের প্রদাহ মাথার যন্ত্রণা থেকে শুরু করে জন্ডিস সব রোগেরই উপযুক্ত দেওয়া এ কালোজিরা। নিতে কালোজিরা কিছু গুণ তুলে ধরা হলো
মসলার মধ্যে কালোজিরার গুনাগুনের তুলনা নেই। কালোজিরা শুধু ক্ষুধা বাড়াই তা নয় পেটের ফুসফুসের রোগেও মহা উপকারী ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
আমাশয়ের সমস্যায় কালোজিরা হলো মহাঔষধ। আমার সেই হলে কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে সাত আট চা চামচ দুধে মিশে সকাল এবং বিকেলে সাত দিন খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
সর্দি-কাশির জন্য কষ্ট পেলে সে ক্ষেত্রে কালোজিরা ও মধু খেলে ঐ কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
বিষাক্ত কোন পোকা কামড়ালে দংশনের জায়গায় কালোজিরা বেটে লাগিয়ে দিলে অল্প কিছুক্ষণ পরে জ্বালা যন্ত্রণা উপশম হয়
কালোজিরা বেটে মাথায় নিয়মিত মালিশ করলে চুল পড়া কমে এবং নতুন চুল গজায়। গরম পানিতে কালোজিরা দিয়ে ফুটিয়ে নিয়ে তা দিয়ে কুলি করলে দাঁতের ব্যথার উপশম হয়।
ঘিয়ের সাথে কালোজিরা মিশিয়ে খেলে মুখ উজ্জ্বল হয় এবং রং ফর্সা হয়।
মাথা যন্ত্রণা করলে সেক্ষেত্রে কালোজিরা কাপড়ে ফুটলে করে বেঁধে রোদে শুকাতে হবে এবং হাতে রগড়ে বা ঘসে নিয়ে সে গন্ধটা শুকলে উপকার পাওয়া যায়।
যেসব মহিলাদের পিরিয়ড অনিয়মিত হয়, এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পিরিয়ড শুরুর ৫-৭ দিন আগে থেকে অল্প গরম জলে ৫০০ মিলিগ্রাম কালোজিরা মিশিয়ে ফুটিয়ে সেই পানি সকালে বিকেলে নিয়মিত পান করতে হবে।
চুলকানিতেও কালোজিরা ভালো উপকার দেয়। ১০০ গ্রাম সরিষার তেলে ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম কালোজিরা ভেজে সেই তেল থেকে নিয়ে পুরো শরীরে বেশ কিছুদিন মাখলে এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।
ভিনেগার ভিজিয়ে কালোজিরা খেলে কৃমি নষ্ট হয় এভাবে কৃমি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
স্মৃতিভ্রংশ ও স্মৃতিশক্তির দুর্বলতায় কালোজিরা খুব কার্যকর। ৩ গ্রাম কালোজিরা, ২০ মিটার সঙ্গে মিশিয়ে খেলে এ রোগ সারবে ইনশাল্লাহ। নিয়মিত খেলে সর্দি-কাশি আর হয় না। কালোজিরা বেটে খেলে জন্ডিস এবং প্লেয়ার বৃদ্ধি ভালো হয়।
নিয়মিত খালি খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়ে যায় বলে মূত্রনালীর বা মূত্রথলির সংক্রমণ থেকে বাঁচা যায়।
hiramonsdream er নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url